এই ব্লগটি যদি আপনি শেষ পর্যন্ত পড়েন তাহলে ভুত নিয়ে আপনার আর কোনো প্রশ্ন থাকবেনা |
আপনি যদি ভুত বিশ্বাস করেন তাহলে তো আপনি একা নন | কিছু মানুষ ছাড়া প্রায় সকল মানুষই ভুত বিশ্বাস করে |
২০১৮ সালের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বের ৫২% মানুষ মনে করে যে ভুত আছে | আর বাকি ১৫% মানুষ তো এটা বলে যে তারা নাকি ভুত দেখেছে,স্পর্শ করেছে এমনকি কথাও বলেছে ভুতের সাথে😇তো এই নাম্বার একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতো নয় |
আচ্ছা আমরা তো সবাইই ছোটবেলায় বয়স্কদের কাছ থেকে ভুতের বিভিন্ন গল্প শুনেছি তাইনা?তার মধ্যে কিছু গল্প তো আমাদের এখনও মনে আছে ঠিকতো?তাহলে কি তারা আমাদেরকে মিথ্যা গল্প শোনাতো?চলুন জেনে নিই সাইন্স এ বিষয়ে কি বলে................?
সাইন্স বলে ভুত বলতে কিছুই নেই | এটা শুধু মানুষের চিন্তা ধারা |চলুন এটা আমরা আরো বিস্তারিত জেনে নিই.....
১)মনে করুন,রাতের দিকে আপনি আপনার রুমে একাই বসে আছেন এমন সময় কারেন্ট চলে গেল,বাইরে অনেক জোড়ে জোড়ে বজ্রপাত হচ্ছে,অনেক জোড়ে বাতাস ও পানি হচ্ছে | এমন সময় আপনার রুমের দরজা একাই বন্ধ হয়ে গেল | কিন্তু আপনার রুমের আশেপাশে আপনি ছাড়া তো আর কেউই নেই | তাহলে দরজা বন্ধ হলো কিভাবে?
দেখুন এমনও তো হতে পারে বাইরে অনেক পানি ও বাতাস হচ্ছিল আর সেই প্রবল বাতাসের কারনেই আপনার রুমের দরজা বন্ধ হয়ে গেল |কি হতে পারেনা?
২)ভুতের বিভিন্ন গল্প বা কাহীনী টিভিতে এমনভাবে দেখানো হয় যে আপনি সেটা আপনার নিজের জীবনের সাথে যুক্ত করতে শুরু করেন |
মানুষের Imagination এতটা শক্তিশালী যে আপনার বা আমার সেটা জানারও ক্ষমতা নেই | এই imagination আপনার চোখকে এমন কিছু দেখাতে চাই যেটা আপনার ব্রেইন দেখে | এমন এমন জিনিস অনুভব করে যা বাস্তবে একেবারেই নেই | আর এই কারনের জন্যেই কিছুসংখ্যক মানুষ বলে যে তারা নাকি ভুত দেখেছে এমনকি কথাও বলেছে |
আচ্ছা ধরে নিলাম ভুত বলতে কিছুই নেই | কিন্তু আমরা যেটাকে ভুত বলছি সেটা আসলে কি?আসলে সেগুলোর সাথে ভুতের কোন সম্পর্ক নেই |
৩)আমরা আমাদের জীবনে যত হরোর মুভি দেখেছি বা গল্প শুনেছি তা আমাদের সাবকনসিয়াস মাইন্ডে স্টোর হয়ে আছে | আপনি হয়তো কুকুরের অস্বভাবিক ডাক অবশ্যই শুনেছেন | তো কুকুর এমন করে ডাকে কেন?কারন সে কোনো নেগেটিভ এনার্জী দেখেছে? না | কুকুরের শোনার ক্ষমতা আমাদের থেকেও অনেকে বেশী | 20hz এর নিচের সাউন্ড আমরা শুনতে পাইনা | কিন্তু কুকুর তা সহজেই শুনতে পাই | আর সেজন্য কুকুরের বডি ও ব্রেইনে একটা নেগেটিভ ইফেক্ট পড়ে এবং কুকর infra sound বা (20hz) সহ্য না করতে পেরে অস্বভাবিক ভাবে ডাকতে শুরু করে |
৪)আমরা যা শুনি তার বেশিরভগই ইলেক্টরো ম্যাগনেটিভ আর এই ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিভ সাউন্ড আমাদের মাইন্ডে নেগেটিভ ইফেক্ট ফেলে |

